অ্যালোভেরার খুব গুরুত্বপূর্ণ ১৪টি স্বাস্থ্য উপকারিতা

(অ্যালোভেরার স্বাস্থ্য উপকারিতা)

প্রাকৃতিক গুণসম্পন্ন ভেষজ উদ্ভিদ অ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারীর উপকারিতার কোনো সীমা পরিসীমা নেই। রাস্তাঘাটে কিংবা বাজারে খুবই সহজলভ্য এটি। রস হিসেবে খাওয়া যায় আবার ত্বকের প্রদাহে প্রতিষেধক হিসেবেও লাগানো যায়। এতে রয়েছে ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম, জিংক, আয়রন, পটাশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, জিঙ্ক, ফলিক অ্যাসিড, অ্যামিনো অ্যাসিড ও ভিটামিন-এ, বি৬ ও বি২ ইত্যাদি, যা স্বাস্থ্যরক্ষার বিভিন্ন কাজে লাগে।

অ্যালোভেরার উপকারিতা

এলোভেরার গুরুত্বপূর্ণ কিছু উপাদান

মানবদেহের জন্য যে 22 টি অ্যামিনো এসিড প্রয়োজন, তার মধ্যে আটটি এটাতে বিদ্যমান। এটাতে আরো আছে 20 রকমের খনিজ। এছাড়াও ভিটামিন A, B1, B2, B6, B12, C এবং E রয়েছে। এটাতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আছে তাই এলোভেরিয়া বিউটি প্রোডাক্ট হিসেবে খুব জনপ্রিয়।

এছাড়াও, অ্যালোভেরাতে আছে ল্যাকটিন, মেনাস এবং পলিস্যাকারাইড। যেগুলো ত্বকের জন্য খুবই উপকারী।

তাই আজ আমরা অ্যালোভেরার স্বাস্থ্য উপকারিতা এবং সাবধানতা সম্পর্কে বিস্তারিত জানার চেষ্টা করব। চলুন তাহলে শুরু করা যাক-

অ্যালোভেরার স্বাস্থ্য উপকারিতা

1.ওজন কমাতে সাহায্য করে

বাড়তি ওজন মানেই বাড়তি বোঝা। এতে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে মানবজীবন। তখন শরীর ও মনে বিভিন্ন রোগ এসে বাসা বাঁধতে শুরু করে। আর শরীরের মেদ কমাতে এলোভেরার জুস বেশ উপকারী। কারণ, অ্যালোভেরায় কোনো ফ্যাট নেই। এর 96 শতাংশই পানি। এতে ভিটামিন বি আছে বেশি পরিমাণে, যেটা মেদ দূর করতে ও ক্যালোরি পোড়াতে সহায়তা করে।

পাশাপাশি, শরীরের ভিটামিন ও খনিজ শোষণের ক্ষমতা বাড়ায় অ্যালোভেরা। এতে ওজন কমার পাশাপাশি সার্বিক স্বাস্থ্য ভালো থাকে। এছাড়া, ক্রনিক প্রদাহের কারণে শরীরে একধরনের মেদ জমে। অ্যালোভেরা জুসের অ্যাণ্টি ইনফ্লামেনটরী উপাদান এই প্রদাহ রোধ করে কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই ওজন কমাতে সাহায্য করে। এছাড়াও এটি হজমের জন্য অনেক উপকারী।

2.ত্বকের যত্নে অ্যালোভেরা

অ্যালোভেরায় রয়েছে অ্যান্টিব্যাক্টেরিয়াল উপাদান। তাই এটা খাওয়া যেমন স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী, ঠিক তেমনি ত্বকের যত্নেও সমানভাবে কার্যকর। ত্বকের জেল্লা বৃদ্ধি করতে, ত্বক সতেজ রাখতে এবং তারুণ্য ধরে রাখতেও খুব উপকারি।

এছাড়াও, ত্বকের রোদে পোড়া ভাব দূর করতে, ত্বককে মসৃণ রাখতে, দাগ মুক্ত করতে এবং ত্বকে ব্রণের উপদ্রব কমাতে অ্যালোভেরা খুব কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। বিশেষ করে যাদের ত্বক অত্যন্ত সংবেদনশীল তারা অন্যান্য কেমিকেল জাতীয় উপাদান ব্যবহার না করে ত্বকের যত্নে অ্যালোভেরা ব্যবহার করতে পারেন।

3.চুলের যত্নে অ্যালোভেরার উপকারিতা

অ্যালোভেরা জেলে রয়েছে ছত্রাকবিরোধী এবং জীবাণুনাশক উপাদান, যা মাথার ত্বকের চুলকানি প্রতিরোধ করে। ফলে খুশকি থেকে মুক্ত থাকে চুল। অ্যালোভেরায় আরও রয়েছে বিশেষ ধরনের ময়েশ্চারাইজার, এটি আপনার চুলে কাজ করে প্রাকৃতিক কন্ডিশনার হিসেবে এবং চুলের আর্দ্রতা ধরে রাখে। এছাড়াও, প্রোটিন, ভিটামিন ও মিনারেলে ভরপুর অ্যালোভেরা চুলের ফলিকলকে পরিপুষ্ট করে চুল পড়া কমায়। পাশাপাশি, চুল দ্রুত বড় হতেও সাহায্য করে।

4.রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে

অ্যালোভেরা একাধিক প্রাকৃতিক গুণসম্পন্ন ভেষজ একটি উদ্ভিদ। এতে রয়েছে ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম, জিংক, আয়রন, পটাশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, জিঙ্ক, ফলিক অ্যাসিড, অ্যামিনো অ্যাসিড, ভিটামিন-এ, বি6 ও বি2 ইত্যাদি, এগুলো স্বাস্থ্যরক্ষার জন্য বিভিন্ন কাজে সাহায্য করে। নিয়মিত অ্যালোভেরার জুস পান করলে হজম শক্তি বৃদ্ধি পায়। পাশাপাশি, পরিপাক তন্ত্রের নানা জটিলতা সারাতেও সাহায্য করে অ্যালোভেরা।

এছাড়াও, এটি দেহে সাদা ব্লাড সেল গঠন করে, যেটা ভাইরাসের সাথে লড়াই করে, শরীরকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। পাশাপাশি, দেহে কোন ক্ষতিকর পদার্থ প্রবেশ করলে তা অপসারণ করতে সাহায্য করে অ্যালোভেরা।

5.হার্ট ভালো রাখতে সাহায্য করে

বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, অ্যালোভেরা জুস খাওয়া মাত্র সারা শরীরে অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্তের প্রভাব বেড়ে যায়। যে কারণে শরীরের প্রতিটি অঙ্গের পাশাপাশি হার্টের কর্মক্ষমতাও বৃদ্ধি পায়।

কারণ, অ্যালোভেরা কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। এটি ব্লাড প্রেসারকে নিয়ন্তর করে রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক রাখে, এবং রক্তে অক্সিজেন বহন করার ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। পাশাপাশি, দূষিত রক্ত দেহ থেকে বের করে রক্ত কণিকা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। ফলে দীর্ঘদিন আপনার হৃদযন্ত্র সুস্থ থাকে।

6.ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করতে অ্যালোভেরা

বিভিন্নভাবে এটা প্রমাণিত হয়েছে, অ্যালোভেরার জুস খাওয়ার ফলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা উন্নত হয়। কারণ, অ্যালোভেরার মধ্যে রয়েছে ক্রোমিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, জিংক এবং ম্যাংগানিজ, যা ইনসুলিনের কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে।

থাইল্যান্ডের এক গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতিদিন দুই টেবিল চামচ অ্যালোভেরা জুস রক্তে চিনির মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। পাশাপাশি, ডায়াবেটিস রোগ হওয়ার সম্ভাবনা হ্রাস করে। তবে, ডাক্তারের নির্দেশিকা অনুযায়ী অ্যালোভেরা জুস ও ওষুধের মধ্যে সমন্বয় করা উচিত।

7.দাঁতের যত্নে অ্যালোভেরার উপকারিতা

এলোভেরার নির্যাস দাঁত ও মাড়ি পরিষ্কার রাখতে সক্ষম, দাঁত ও মাড়ির ক্ষয় বা ক্যাভিটি প্রতিরোধেও কার্যকরী। এটি দাঁতের ব্যাথা দূর করে, দাঁতের এনামেল লেয়ারের জন্য ব্লিচিং এজেন্ট হিসেবে কাজ করে। অর্থাৎ দাঁতকে সাদা করে, মুখে ব্যাকটেরিয়া কর্তৃক সৃষ্ট রোগ ‘পেথোজেনিক ওরাল মাইক্রোফ্লোরা’ সারিয়ে তুলতে ও প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে ।

2014 সালে এক গবেষণায় দেখা গেছে, অ্যালোভেরা জেল মাউথ ওয়াশের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা যায়। এতে ভিটামিন সি আছে যা মুখের জীবাণু দূর করে, মাড়ি ফোলা, মাড়ি থেকে রক্তপাত বন্ধ করতে সাহায্য করে। এছাড়া মুখের দুর্গন্ধ দূর করতেও সাহায্য করে।

8.হজম শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে

পরিপাক যন্ত্রকে পরিষ্কার করে হজম শক্তি বাড়াতে অ্যালোভেরা অত্যন্ত কার্যকরী। অ্যালোভেরার প্রাকৃতিক এনজাইম, ভিটামিন সি ও অ্যামিনো অ্যাসিড আপনার হজম শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। প্রতিদিন সকালে খালিপেটে সামান্য চিনির সঙ্গে অ্যালোভেরার জেল দিয়ে তৈরি জুস খেলে আপনার গ্যাস্ট্রিকের সমস্যাও দূর হবে।

শুধু তাই নয়, অ্যালোভেরায় থাকা অ্যাসিড, স্টমাকে তৈরি হওয়া অ্যাসিডের কর্যকারিতা কমিয়ে দেয়। ফলে অ্যাসিডিটির সমস্যা একেবারে নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। পাশাপাশি, এটি অন্ত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধি করে, অন্ত্রে প্রদাহ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া রোধ করে। যা হজমশক্তি বাড়তে সাহায্য করে।

9.পুষ্টির ঘাটতি পূরণ করতে সাহায্য করে

বেশ কিছু গবেষণাতে দেখা গেছে, নিয়মিত এই প্রকৃতিক উপদানটি খাওয়া শুরু করলে শরীরের প্রয়োজনীয় ভিটামিন এবং মিনারেলের ঘাটতি দূর হয়। সেই সঙ্গে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের ঘাটতিও দূর হতে থাকে। প্রসঙ্গত, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হল সেই উপাদান, যা আমাদের শরীরকে রোগ মুক্ত রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

এছাড়াও এটা ভিটামিন ও খনিজের এক সমৃদ্ধ উৎস। ভিটামিন-এ, সি, ই, ফলিক অ্যাসিড, কোলিন, বি-1, বি-2, বি-3 (নিয়াসিন) ও ভিটামিন বি-6 এর দারুণ উৎস এটা। অল্পসংখ্যক উদ্ভিদের মধ্যে অ্যালোভেরা একটি যাতে ভিটামিন বি-12 রয়েছে। এছাড়া, প্রায় 20 ধরনের খনিজ রয়েছে। এর মধ্যে আছে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, জিঙ্ক, ক্রোমিয়াম, সেলেনিয়াম, সোডিয়াম, আয়রন, পটাশিয়াম, কপার ও ম্যাংগানিজ।

10.কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করতে অ্যালোভেরার উপকারিতা

বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, অ্যালোভেরা শরীরের এইচ ডি এল কোলেস্টেরলের স্তরগুলি কমাতে সাহায্য করে। পাশাপাশি এটি লিপিডের মাত্রাও কমাতে সহায়তা করে। অ্যালোভেরার মধ্যে থাকা ফাইটোস্টেরল, শরীরের কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সহায়তা করে।

এছাড়াও অ্যালোভেরার মধ্যে অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো গ্লুকোমানেন। যেটা এক প্রকার দ্রবণীয় ফাইবার হিসাবে ধরা হয়। এটিও শরীরের কোলেস্টেরল কমাতে সহায়তা করে। তাই নিয়মিত অ্যালোভেরার গুঁড়ো কিংবা ক্যাপসুল অথবা সরাসরি অ্যালোভেরার রস খাদ্য তালিকার অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন।

11.মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যের উন্নতি করতে সাহায্য করে

শরীরের বাহ্যিক ও অভ্যন্তরিন সুস্বাস্থ্যের জন্য ভিটামিন-ই একটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান। যেসব খাবারে ভিটামিন-ই থাকে সেগুলোতে আরও অনেক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থেকে। এটা দীর্ঘমেয়াদি স্মৃতিশক্তি বাড়ায় এবং বয়সের সঙ্গে শরীরের বিভিন্ন অংশের ক্ষয়রোধ করে। অ্যালোভেরা ভিটামিন ‘ই’ এর একটি অন্যতম উৎস। আবার, মস্তিষ্কের বিকাশে ভিটামিন ‘বি’ খুব ভালো কাজ করে। ভিটামিন ‘বি’র নানান রূপ রয়েছে যেমন- বি1, বি2, বি3, বি6 ইত্যাদি, যা হতাশা ও চাপ কমাতে সাহায্য করে। এগুলোর সবগুলোই অ্যালোভেরার মধ্যে বিদ্যমান।

এছাড়াও এটি ব্রেনবুস্টার সাপ্লিমেন্ট হিসেবে কাজ করে। মূলত স্মৃতিশক্তি যাতে ফ্যাকাশে না হয়ে যায়, সে ক্ষেত্রে এটি খুব দারুণ ভাবে কাজ করে। পাশাপাশি যেকোনো ধরনের মানসিক চাপ থেকে শরীরকে সুস্থ রাখতেও সাহায্য করে।

12.ব্যথা এবং প্রদাহ রোধ করতে সাহায্য করে

যেকোনো ধরনের ব্যথা কিংবা প্রদাহের সাথে লড়াই করতে পারে অ্যালোভেরা। অ্যালোভেরায় উপস্থিত অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি জ্বালা-যন্ত্রণার সাথে লড়াই করে শরীরের শান্তি প্রদান করে। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গিয়েছে, অ্যালোভেরা জেল যেকোনো হাইড্রোকর্টিসন ক্রিমের তুলনায় জ্বালাভাব, কিংবা যেকোন প্রদাহে বেশি আরাম প্রদান করে।

এছাড়াও অ্যালোভেরার মধ্যে থাকা অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি‌ উপাদান অস্টিওআর্থ্রাইটিসের চিকিৎসাতেও বেশ উপকারী। আবার, এটি নতুন কোষ গঠনে সহায়তা করে। যার ফলে, যে কোনো ধরনের ক্ষত খুব দ্রুত নিরাময়‌ হয়।

অ্যালোভেরার উপকারিতা ও অপকারিতা

অপকারিতা

আমাদের মনে প্রশ্ন জাগতেই পারে। যে উদ্ভিদের এত গুণ তার কি কোন ক্ষতিকর প্রভাব থাকতে পারে? চিকিৎসকদের মতে, অ্যালোভেরা জেল নিরাপদ যখন এটি ওষুধ বা জেল হিসেবে চামড়ায় প্রয়োগ করা হয়। কিন্তু প্রাকৃতিক উপায়ে যখন অ্যালোভেরার ভেতরের রসালো পদার্থটি বের করা হয় , তখন এর সঙ্গে ভুলবশত ‘অ্যালো লেটেক্স’বের হতে পারে। যেটা শরীরের জন্য খুবই ক্ষতিকর।

এই ল্যাটেক্স অ্যালোভেরার পাতার মধ্যেই থাকে। যার রঙ হলুদ। যদি অ্যালোভেরার শাঁসের সঙ্গে এই ল্যাটেক্স বের হয়ে যায়, আর সেটা যদি আমরা খেয়ে ফেলি, তাহলে এটি শরীরের বিভিন্ন রোগের কারণ হতে পারে। অ্যালো ল্যাটেক্স এর দীর্ঘমেয়াদি ব্যবহারের ফলে ডায়রিয়া, কিডনি সমস্যা, প্রস্রাবে রক্ত পড়া, পেশী দুর্বলতা, ওজন হ্রাস , হার্টের সমস্যা এমনকি কিডনি ফেইলিয়ারের মতো সমস্যাও হতে পারে। এছাড়াও, গর্ভবতী মায়েদের ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া এলোভেরা জেল না খাওয়াই ভালো।তাই, এলোভেরার জেল বা জুস খাওয়ার সময় অবশ্যই সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে।

সামারি

অ্যালোভেরা একটি সৌন্দর্য বৃদ্ধি কারী উপাদান হিসেবে প্রাচীন যুগ থেকেই ব্যবহার হয়ে আসছে। বর্তমান সময়ে আমরা বহু ক্ষেত্রে অ্যালোভেরার ব্যবহার করে থাকি। এছাড়া বেশ কয়েকটি কোম্পানির অ্যালোভেরা জেল আমাদের কাছে খুবই পরিচিত।

তবে আমরা অধিকাংশই ত্বক পরিচর্যার ক্ষেত্রে অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করে থাকি। এর পাশাপাশি চুল এবং স্বাস্থ্য রক্ষায় অ্যালোভেরা জেল এর ব্যবহার অতি কার্যকরী। তাই আজ আমরা অ্যালোভেরার স্বাস্থ্য উপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করেছি।

Leave a Comment